সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ধাপসমূহের কার্যাবলি

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ‘ধাপসমূহের কার্যাবলি – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “অর্গানাইজেশনাল ফাংশন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল” বিভাগের একটি পাঠ।

 

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ধাপসমূহের কার্যাবলি | অর্গানাইজেশনাল ফাংশন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ধাপসমূহের কার্যাবলি

 

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল হলো একটি ধারাবাহিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সমস্যা চিহ্নিত করা, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা, তথ্যের বিশ্লেষণ করা, পরিকল্পনা রচনা করা এবং তা কার্যে পরিণত করা কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রক্রিয়া কন্ট্রোল করা। উপরোক্ত প্রক্রিয়া বা ধাপসমূহ (Steps) যখন একটি নির্দিষ্ট চক্রে আবর্তন করে, তখন সেআবর্তনের চক্রকে সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল (System Development Life Cycle or SDLC)) বলে।

সিস্টেম ‘ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের’ ধাপগুলোর কার্য নিম্নে আলোচনা করা হলো—

(ক) প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন (Recognition of need)

(খ) ফিজিবিলিটি স্টাডি (Feasibility study)

(গ) অ্যানালাইসিস (Analysis)

(ঘ) ডিজাইন (Design) 

(ঙ) ইমপ্লিমেন্টেশন (Implementation)

(চ) পোস্ট-ইমপ্লিমেন্টেশন এবং মেইনটেন্যান্স (Post-implementation and maintenance) |

 

(ক) প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন (Recognition of need) :

সিস্টেম ডেভেল’পমেন্ট সাইকেলের এ ধাপে সিস্টেমের সমস্যা ও সুযোগগুলো কী কী তা জানাই রিকোগনিশন অব নিড স্টেজের কার্য। প্রাথমিক জরিপ অথবা প্রাথমিক ইনভেস্টিগেশনের মাধ্যমে সমস্যাগুলো জানা যায়।

 

(খ) ফিজিবিলিটি স্টাডি (Feasibility study) :

ফিজিবিলিটি স্টাডির ফাংশন হলো সিস্টেমের সমস্যাগুলোর যা প্রাথমিক জরিপ হতে পাওয়া যায়, তাকে উত্তমরূপে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে গবেষণা করা এবং বাস্তবে এর সমাধান কী এবং এর ফল সিস্টেমের উপর প্রভাব কতটুকু হবে তা নির্ণয় করাই হলো ফিজিবিলিটি স্টাডির উদ্দেশ্য। অর্থাৎ একটি লাইফ সাইকেল পূর্ণাঙ্গরূপে কাজ করতে হলে ফিজিবিলিটি স্টাডির গুরুত্ব অপরিসীম।

 

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ধাপসমূহের কার্যাবলি | অর্গানাইজেশনাল ফাংশন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

 

(গ) অ্যানালাইসিস (Analysis) :

সিস্টেম ‘ডেভেলপমেন্টের এই স্তরে বর্তমানে যে সিস্টেম আছে তাকে মূল্যায়ন করা, সমস্যা চিহ্নিত করা, সমাধান করা, কী মডিফিকেশন দরকার তা নির্ণয় করা, ডাটা সংগ্রহ করা ইত্যাদির সমন্বয় এবং এখানেইসিদ্ধান্ত নিতে হবে সমস্যা সমাধানের উপায়ের জন্য।

 

(ঘ) ডিজাইন (Design) :

সিস্টেম লাইফ সাইকেলের এই স্টেজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই স্টেজে সিস্টেম লাইফ সাইকেল ডিজাইন করা হয় । ডিজাইনই হলো কোনো সিস্টেমের শেষ স্টেজ। 

 

(ঙ) ইমপ্লিমেন্টেশন (Implementation) :

এই স্টেজে সিস্টেম লাইফ সাইকেলকে কার্যে রূপান্তর করা হয়। ইমপ্লিমেন্টেশন ধাপে ডিজাইন সিস্টেম কাজ করছে কি না তা জানা যায় এবং ডিজাইন কতটুকু সাকসেস তা জানা যায় ।

 

(চ) পোস্ট-ইমপ্লিমেন্টেশন এবং মেইনটেন্যান্স (Post-implementation and maintenance):

কোনো সিস্টেম ইমপ্লিমেন্টেশন করার পর তাতে কোনো সমস্যা আছে কি না কিংবা সিস্টেম মেইনটেন্যান্স একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর হচ্ছে কি না তা এই স্টেজে দেখা হয়।

২২ thoughts on “সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেলের ধাপসমূহের কার্যাবলি”

Leave a Comment