সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক (Subnet and subnet masks)

আজকে আমরা সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা আইপি অ্যাড্রেসিং এর অন্তর্গত।

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক (Subnet and subnet masks)

সাবনেট (Subnet)

দাদা পেয়েছিলেন এক বিশাল প্লট, যার নম্বর ২১ এখন বাবারা হলেন তিন ভাই। দাদার মৃত্যুর পর সে প্লট ভাগ হয়ে তিনটি অংশে পরিণত হল। তখন সে প্লটগুলোর নম্বর কী হবে? নিশ্চয় ২১, ২২, ২৩ করতে পারবেন না কারণ ঐ নম্বরের প্লট পাশেই আছে, যা প্রথমে কোন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) দিয়েছিল। আবার নতুন প্লটগুলোকে ভিন্নভাবে চিহ্নিত করতে হবে, কিন্তু আসল প্লট নম্বর বাদ দেয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে সাধারণত নতুন প্লটের নাম দেয়া হয় ২১/১, ২১/২, ২১/৩ ইত্যাদি। এটিই আমরা বাস্তবে দেখে আসছি।

 

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও এ রকম ঘটতে পারে। আমি একটি টিসিপি/আইপি নেটওয়ার্ক গড়ে তুললাম এবং ইন্টারনিক (InterNIC) আমাকে একটি নেটওয়ার্ক আইডি দিল। বাইরের যে কেউ সে নেটওয়ার্ক আইডি অনুযায়ী আমার নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ করবে। এখন কোন কারণে আমার নেটওয়ার্ককে ছোট অংশে বিভক্ত করতে চাইলে আমি সে নেটওয়ার্ক আইডি বদলাতে পারব না। বড় নেটওয়ার্ককে ছোট অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে বলা হয় সাবনেটিং।

প্রতিটি সাবনেটকে ভিন্নভাবে চিহ্নিত করার জন্য নেটওয়ার্ক আইডির সাথে বিশেষ চিহ্ন (প্লটের ক্ষেত্রে ২১/১ যেমন) যোগ করার দরকার হয়। এটি করার জন্য বেশ কিছু বিষয়ের দিকে নজর দেয়া হয় এবং পুরো বিষয়টিই মূলত নির্ভর করে সাবনেট মাস্কের উপর। সাবনেট মাস্ক নির্ধারণ ও বড় নেটওয়ার্ককে ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কে বিভক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে একটু পরেই জানব। তার আগে জেনে নেয়া যাক সাবনেট কেন করা সরকার বা সাবনেট তৈরির সুবিধা কী?

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

সাবনেট তৈরির সুবিধাসমূহ

কম নেটওয়ার্ক ট্রাফিক

আমরা জানি, নেটওয়ার্কে ব্রডকাস্টের কারণে অনেক বেশি ট্রাফিক হতে পারে। একটি ব্রডকাস্ট নেসের পুরো ব্রডকাস্ট ডোমেইনে বিস্তৃত হয়। সাবনেট তৈরির মাধ্যমে আমরা ব্রডকাস্ট ডোমেইন ছোট করে ফেলি। ফলে কোন উডকাস্ট মেসেজ কেবল ঐ সাবনেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এটিকে আমরা তুলনা করতে পারি বড় হলরুমকে পার্টিশন দিয়ে ছোট করে ফেলার সাথে। বড় হলরুমে একজন কথা বললে সেটি সবার কানে পৌঁছে। যদি পার্টিশন দিয়ে দুটি ছোট রুমে পরিণত করা হয়, তাহলে সে আওয়াজ অল্প জায়গার মধ্যে থাকে। আগে যেখানে ৫০ জন সেটি শুনতে পেত, এখন সেটি শুনতে পায় ২০ জন।

উন্নত নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স

ব্রডকাস্ট ট্রাফিক পুরো নেটওয়ার্ককে দখল করতে পারছে না বলে নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পায়।

সহজ ম্যানেজমেন্ট

একটি বড় নেটওয়ার্ক ম্যানেজ না করার চেয়ে ছোট নেটওয়ার্ক ম্যানেজ করা অনেক সুবিধাজনক।একটি ক্লাস বি নেটওয়ার্ক হলে ৬৫ হাজারের বেশি হোস্ট থাকতে পারে। এত হোস্ট নিয়ে কোন নেটওয়ার্ক ম্যানেজ করা সত্যিই কঠিন। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে কয়েকটি ছোট সাবনেটে ভাগ করে একেক সাবনেটের দায়িত্ব একের অ্যাডমিনিস্ট্রেটকে দেয়া যেতে পারে।

নেটওয়ার্ককে বিস্তৃত করার সুবিধা

একটি বড় নেটওয়ার্ক বেশ বিস্তৃত এলাকা জুড়ে থাকলে সেটি অসুবিধাজনক, বিশেষ করে নেটওয়ার্কের কিছু হোস্ট যদি ওয়ান ব্যবহার করে যুক্ত থাকে তার চেয়ে কয়েকটি ছোট সাবনেটকে একত্রে জুক্ত করা অনেক সুবিধাজনক। এটিকে আমরা তুলনা করতে পারি প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সাথে। সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার কেবল কেন্দ্রীয় প্রশাসনের উপর ন্যস্ত থাকলে সে প্রশাসন খুবই মাথা ভারী ও দুর্বল হয়। তার চেয়ে অনেকগুলো ভাগে বিভক্ত করে দিয়ে প্রতিটি বিভাগকে কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার দেয়া হয়, তাহলে সবারই সুবিধা হয় এখন আমরা
নেটওয়ার্কের জন্য সাবনেট মাস্ক কীভাবে নির্ধারণ করা হয়, একটি বড় নেটওয়ার্ককে কীভাবে সাবনেটে বিভক্ত করা যায়,ইত্যাদি।

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

সাবনেট মাস্ক (Subnet masks)

প্রতিটি টিসিপি/আইপি হোস্টের জন্য অঙ্কিত দুটি তথ্য দরকার পড়ে প্রথমত, একটি আইপি অ্যাড্রেস এবং তি সাবনেট মাস্ক সাবনেট মাক্ষের কাজ হল আইপি অ্যাড্রেসের কোন বিটগুলো নেটওয়ার্ক আইডি আর কোনগুলো হোস্ট শনাক্ত করা। সাবনেট মাস্ক না থাকলে কম্পিউটার বুঝতে পারে না আইপি অ্যাড্রেসের কোন অংশ নেটওয়ার্ক আইডি আর কোন হা হোস্ট আইডি।

আমরা আগে আইপি অ্যাড্রেস ক্লাসের আলোচনার সময় বলেছি ক্লাস বি আইপি অ্যাড্রেসের প্রথম দুটি কা নেটওয়ার্ক আইডি এবং পরের দুটি অকটেট হোস্ট আইডি নির্দেশ করে। কথাটি ততক্ষণই সত্য যতক্ষণ এর সাথে ডি মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিফল্ট সাবনেটে মাস্ক বাদে অন্য কোন মাস্ক ব্যবহার করা হলে তখন আর বলতে পারব না যে, সেই অ্যাড্রেসের প্রথম ১৬-বিট নেটওয়ার্ক আইডি। সেক্ষেত্রে এ বিটের পরিমাণ নির্ধারিত হবে সাবনেট মাস্ক দিয়ে ।

নেটওয়ার্ক ও হোস্টঃ

আমরা আগেই জেনেছি একটি আইপি অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে- নেটওয়ার্ক আইডি এবং হে আইডি। আইপি অ্যাড্রেসটির কোন অংশ নেটওয়ার্ক আইডি নির্দেশ করে, তা বুঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয় সাবনেট সাবনেট মাস্ক দেখে নেটওয়ার্ক আইডি বের করার জন্য কম্পিউটার একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে, যা অ্যান্ডিং প্রসেস। AND process) নামে পরিচিত। যেমন ধরা যাক, কোন হোস্টকে আমরা আইপি অ্যাড্রেস দিলাম ১৯২ ১৬ ২১১ এবং এর সাবনেট ম হল ২৫৫.২৫৫.২৫৫.০ তাহলে এটিকে আমরা নিচের মতো করে প্রকাশ করতে পারি :

 

আইপি ১১০০০০০০ ১০১০১০০০ ০০০১০১০১ ০০০০০০০১
সাবনেট মাস্ক ১১১১১১১১ ১১১১১১১১ ১১১১১১১১ ০০০০০০০০
ANDing ১১০০১০১১ ১১০০১০০১ ১১১০০০০০ ০০০০০০০০

 

এখানে সাবনেট মাস্কের প্রতিটি অন বিট (১) দিয়ে আইপি অ্যাড্রেসের বিটকে গুণ করে আমরা পাচ্ছি ANDing ফলাফল। এ ফলাফল ই হল নেটওয়ার্ক আইডি। সাবনেট মাস্কে যে কটি অকটেটের সব কটি বিট ১ করে দিচ্ছি, আইপি অ্যাড্রেসের সে কটি অকটেটো মানই হচ্ছে নেটওয়ার্ক আইডি। ব্যাপারটি আরো পরিষ্কার করার জন্য আমরা আরেকটি আইপি অ্যাড্রেসের দিকে নজর দিতে পারি।

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

ধরা যাক, একটি হোস্টের আইপি অ্যাড্রেস ২০৩, ২০১, ২৪৮.১০০ এবং সাবনেট মাস্ক ২৫৫ ২০৫.২২৪। এখানে নেটওয়ার্ক আইডি কত হবে? অ্যান্ডিং প্রক্রিয়ার আশ্রয় নেয়া যাক-

আইপি ১১০০১০১১ ১১০০১০০১ ১১১১১০০০ ১১০০১০০
সাবনেট মাস্ক ১১১১১১১১ ১১১১১১১১ ১১১০০০০০ ০০০০০০০০
ANDing ১১০০১০১১ ১১০০১০০১ ১১১০০০০০ ০০০০০০০০

 

তাহলে এখানে নেটওয়ার্ক আইডি দাঁড়াচ্ছে ১১0010111100100১,১১১০০০০০০০০০০০০০ বা ২০৩.২০১.২২. আমানের আইপি অ্যাড্রেসের প্রথম তিনটি অকটেটের চেয়ে ভিন্ন। সাবনেট মাস্কে যেসব বিটের মান ১, সেগুলোকে সে নেট আইডি’র অংশ ধরে নেবে। আর যেগুলোর মান ০, সেগুলোকে হোস্ট আইডি’র অংশ হিসেবে বিবেচনা করবে।

সাবনেট তৈরির প্রক্রিয়া :

একটি বড় নেটওয়ার্ককে একাধিক সাবনেটে বিভক্ত করার জন্য কতিপয় ব্যবস্থা নেয়ার দরকার সাৰনেট তৈরির আগে দরকার প্ল্যানিং। এ প্ল্যানিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, একবার সাবনেট তৈরি করা হয়ে গেলে পরবর্তীতে বদলানো বেশ কঠিন। আপনার সাবনেটের উপর ভিত্তি করে প্রতিটি আইপি অ্যাড্রেস দেয়া হয়। কোন কারণে সাবনেট করলে পুরো নেটওয়ার্কের সব কটি হোস্টের আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন করার দরকার হতে পারে।

 

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

সাবনেট তৈরির পরিকল্পনার ধাপগুলো নিম্নরূপ

পুরো নেটওয়ার্কে কয়টি নেটওয়ার্ক আইডি দরকার, তা স্থির করতে হবে। নেটওয়ার্ক আইডির সংখ্যা নির্ভর করবে নিচের বিষয়গুলোর উপর

  • প্রতিটি সাবনেটের জন্য একটি নেটওয়ার্ক আইডি দরকার হবে।
  • প্রতিটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক কানেকশনের জন্য একটি করে নেটওয়ার্ক আইডি দরকার হবে।
  • প্রতিটি সাবনেটে কয়টি করে হোস্ট আইডি দরকার তা নির্ধারণ করতে হবে। এটি পাওয়া যাবে নিচের নিয়মে
  • প্রতিটি টিসিপি/আইপি হোস্টের জন্য একটি করে হোস্ট আইডি দরকার হবে। কোন হোস্টের যদি একাধিক নেওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার থাকে, তাহলে প্রতিটির জন্য একটি হোস্ট আইডি দরকার হবে।
  • প্রতিটি রাউটার ইন্টারফেসের জন্য একটি করে হোস্ট আইডি দরকার হবে।
  • আগের প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক ও হোস্ট আইডি’র উপর ভিত্তি করে নিচের বিষয়গুলো স্থির করতে হবে-
  • পুরো নেটওয়ার্কের জন্য একটি সাবনেট মাস্ক।
  • প্রতিটি সাবনেটের জন্য একটি করে সাবনেট আইডি।
  • প্রতিটি সাবনেটে ব্যবহারের জন্য হোস্ট আইডি রেঞ্জ।
  • সাবনেটিং হল এ তিন ধাপের কাজ। তবে শুনতে যত সহজ লাগে হিসাব করে বের করা তত সহজ নয়। এর জন্য যথেষ্ট ধৈর্যসহকারে হিসাব করতে হবে। আমরা এ হিসাব কষার পদ্ধতি সম্পর্কে একটু পরেই জানব।

আগেই বলা হয়েছে, ইন্টারনিক আমাদেরকে যে নেটওয়ার্ক আইডি দিচ্ছে, সেটিকে পরিবর্তন করতে পারছি না। কিন্তু আমরা যেসব সাবনেট তৈরি করছি, সেগুলোর প্রতিটি ভিন্নভাবে চিহ্নিত করা দরকার। আমরা নেটওয়ার্ক আইডি’র জন্য নির্দিষ্ট বিটগুলোকে পরিবর্তন করতে পারছি না বলে সাধনেট আইডি হিসেবে ব্যবহারের জন্য হোস্ট আইডি’র কিছু বিটকে ব্যবহার করা হয় সাবনেট ছাড়া কোন হোস্টের আইপি অ্যাড্রেস হয় এ রকম

নেটওয়ার্ক আইডি + হোস্ট আইডি

সাবনেটযুক্ত কোন নেটওয়ার্কের হোস্টের আইপি অ্যাড্রেস হবে নিম্নরূপ :

নেটওয়ার্ক আইডি + সাবনেট আইডি + হোস্ট আইডি

এ সাবনেট আইডি তৈরির জন্য আমরা হোস্ট আইডি’র বিট ব্যবহার করি। যদি একটি ক্লাস বি নেটওয়ার্ককে সাধনেটে বিভক্ত করার দরকার পড়ে, তাহলে নেটওয়ার্ক আইডি’র ১৬ বিটে কোন পরিবর্তন আনতে পারব না। সাবনেট আইডি’র জন্য হোস্টের জন্য নির্ধারিত ১৬ বিট থেকে কিছু বিট নিতে হবে। সেখান থেকে কয় বিট নেব, তার উপর নির্ভর করবে কয়টি সাবনেট আমরা তৈরি করতে পারব, আর প্রতি সাবনেটে কয়টি হোস্ট থাকবে।

হোস্ট অংশ থেকে নেয়া বিটের উপর নির্ভর করে কয়টি সাবনেট তৈরি করতে পারব, আর প্রতি সাবনেটে কয়টি হোস্ট থাকতে পারবে, তা হিসাব করতে পারি নিচের দুটি সূত্র ব্যবহার করে

সাবনেটের সংখ্যা = ২ মাস্কে ব্যবহৃত বিট সংখ্যা-২

হোস্টের সংখ্যা = ২ মাস্কে অব্যবহৃত বিট সংখ্যা-২

ধরা যাক, আমরা একটি নেটওয়ার্কে আইপি অ্যাড্রেস ১৯১.১.৪৮.১ এবং সাবনেট মাস্ক ২৫৫.২৫৫. 268.0 ব্যবহার করলাম। এখানে কয়টি সাবনেট তৈরি হবে এবং প্রতি সাবনেটে হোস্টের সংখ্যা কত হবে, তা দেখা যাক। এ তথ্যকে আমরা নিচের ছকে ফেলতে পারি-

আইপি ১০১১১১১১ ০০০০০০০১ ০০১১০০০০ ০০০০০০০১
সাবনেট মাস্ক ১১১১১১১১ ১১১১১১১১ ১১১১১০০০ ০০০০০০০০

 

এখান থেকে দেখতে পাচ্ছি, হোস্ট অংশ থেকে ৫টি বিট ব্যবহার করা হয়েছে সাবনেট মাস্ক তৈরির জন্য (এটি ক্লাস বি অ্যাড্রেস হওয়ার ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক ২৫৫.২৫৫.০.০, এর সাথে বাকি বিট কটি যোগ হয়েছে), আর হোস্টের জন্য ফাঁকা আছে ১১টি বিট।

তাহলে আমাদের সূত্রানুযায়ী-

সাবনেটের সংখ্যা = ২^৫- ২ = ৩২- ২ = ৩০টি

হোস্টের সংখ্যা = ২^১১ – ২ = ২০৪৮ – ২ = ২০৪৬টি

পুরো সাবনেট প্ল্যানিংয়ের সময় এ সূত্র দুটো আমাদের কাজে লাগবে।

ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক :

যখন কোন সাবমেট তৈরি করা হচ্ছে না, তখনও একটি সাবনেট মাস্ক ব্যবহার করা হয়। এ সমে মাস্ককে বলা হয় ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক। প্রতিটি ক্লাসের জন্য ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক ভিন্ন। বিভিন্ন ক্লাসের জন্য ডিফল্ট সাবনেট মাস্ক নিচে দেখানো হল

সাবনেট ও সাবনেট মাস্ক

 

নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী আইপি অ্যাড্রেসের সাথে বিট উল্লেখ করে প্রকাশ করা হয়। যেমন ১৯২.১৬৮.২১.১/২৪ হল ক্লাস-5 অ্যাড্রেস, যার ২৪ বিট হল নেটওয়ার্ক আইডি, আবার ২১.২৩.১/৮ হল একটি ক্লাস ‘এ’ নেটওয়ার্ক, যার নেটওয়ার্ক হল সিআইডিআর সম্পর্কিত ডকুমেন্টেশন ৩ উইন্ডোজ ২০০০ ডকুমেন্টেশনে এ রকম অনেক নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস দেখা যাবে।

Leave a Comment