সংখ্যা পদ্ধতি আজকের ক্লাসের আলোচ্য বিষয়। “সংখ্যা পদ্ধতি [ Number System ]” এইচএসসি – আই.সি.টি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) [ HSC – ICT (Information and Communications Technology) ] তথা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর – আই.সি.টি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) [ Class 11 & 12 – ICT (Information and Communications Technology) ] এর ৩য় অধ্যায় [ Chapter 3 ] এ পড়ানো হয়। তাছাড়া আলিম ক্লাস [ Alim Class ] ও অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থায় এই বিষয়টি পড়ানো হয়।
Table of Contents
সংখ্যা পদ্ধতি
যে পদ্ধতি সংখ্যা গণনা করা হয় বা প্রকাশ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ সকল সংখ্যাকে বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়ােজনীয় গণনার কাজ করা হয়।
প্রকারভেদঃ
১. ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যা- পদ্ধতি
২. বাইনারি সংখ্যা -পদ্ধতি
৩. অক্টাল সংখ্যা- পদ্ধতি
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা -পদ্ধতি

| নাম | বৈশিষ্ট্য |
| ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যা | দশমিক সংখ্যা -পদ্ধতিতে ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮ এবং ৯ এই দশটি প্রতীক দিয়ে সব ধরণের সংখ্যা গঠন করা হয়। দশটি প্রতীক বা অংক ব্যবহার করা হয় বলে এ সংখ্যা- পদ্ধতিকে বলা হয় দশমিক সংখ্যা প-দ্ধতি। এ সংখ্যা- পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১০।
*দশমিক পদ্ধতির ক্ষেত্রে একক, দশক, শতক এভাবে কোন সংখ্যার মান নির্ণয় করতে হয়। পূর্ণ দশমিক সংখ্যার স্থানীয় মান নির্ণয় করতে সংখ্যার ডানদিক থেকে প্রথম ঘরের মান ১০° (=১) , দ্বিতীয় ঘরের মান ১০১ (=১০), তৃতীয় ঘরের মান ১০২ (=১০০) , চতুর্থ ঘরের মান ১০৩(=১০০০) |
| বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি | শূন্য (০) এবং (১) এর অন্তহীন সমবায়ে গঠিত বাইনারী সিস্টেম। বাইনারীতে কেবল দুটি ডিজিট বা প্রতীক ব্যবহৃত হয়। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে টমাস হ্যারিয়ট প্রথম বাইনারী সংখ্যা কাজে লাগান। |
| অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি | যে সকল সংখ্যা যে সংখ্যা- পদ্ধতিতে আটটি অংক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা- পদ্ধতি বলে। +এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অংকগুলাে হলাে ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ অক্টাল সংখ্যা- পদ্ধতির ভিত (Base) হচ্ছে ৮। + (৭১৪)৮ একটি অক্টাল সংখ্যা |
| হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি। | যে সংখ্যা- পদ্ধতিতে ষােলটি অংক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অকাল। পদ্ধতি বলে। +এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অংকগুলাে হলাে ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F |

সংখ্যা পদ্ধতি এর বিস্তারিত ঃ
আরও পড়ুনঃ