ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি

ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “ফিজিবিলিটি অ্যানালাইসিস” বিভাগের একটি পাঠ।

ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি | ফিজিবিলিটি অ্যানালাইসিস | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি

কোনো সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট কতটুকু বাস্তবসম্মত, তা তার কস্ট/বেনিফিট অ্যানালাইসিস (cost/ benefit analysis)-এর উপর নির্ভর করে। যত অপটিমাম সিস্টেমই উন্নয়ন (Development) করা হোক না কেন, যদি তার খরচ/লাভ (cost/ benefit) না থাকে তবে সেই সিস্টেম (system) বাস্তবে গ্রহণযোগ্য হবে না । তাই একটি ক্যান্ডিডেট সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট (candidate system development) করা হলে তার ইকোনোমিক ফিজিবিলিটি ইভ্যালুয়েশন (feasibility evaluation) একান্ত দরকার হবে।

একটি ক্যান্ডিডেট ‘সিস্টেম (candidate system) গ্রহণ করা হবে কি হবে না তা ঐ সিস্টেমের মূল্য নির্ধারণ (cost evaluation) এর উপর নির্ভর করবে। যদি দেখা যায় সিস্টেম (system)-টি কস্ট ইফেক্টিভ (cost-effective) না তবে অল্টারনেটিভ সিস্টেম ডেভেলপ (Alternative system develop) করতে হবে। সাধারণত কোনো একটি বিজনেস (business) প্রতিষ্ঠানের খরচ/লাভ (cost/benefit) যে-সব বিষয়ের উপর ইকোনমিক ফিজিবিলিটি স্টাডি (economic feasibility study) করতে হবে, তা নিচের চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো-

 

ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি

 

টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি (Technical feasibility) :

টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি বলতে সিস্টেমটি টেকনিক্যালি কতটুকু ফিট (Fit) অর্থাৎ সিস্টেমটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এর সাথে সংযুক্ত কি না, অথবা পুরো সিস্টেমটি কম্পিউটার সাপোর্ট (computer support) করে কি না তা জানা প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বর্তমানে যে কম্পিউটার সিস্টেম (computer system) আছে তাতে আরও কিছু প্রোগ্রাম লোড (Program load) করতে চাই, তাহলে দেখা যাবে যে, কম্পিউটার (computer)-এর হার্ডওয়্যার ফ্যাসিলিটি (Hardware facility) বাড়াতে হবে।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ফাংশন | অর্গানাইজেশনাল ফাংশন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

ফলে একটা অতিরিক্ত কস্ট (cost) আসবে। তাহলে টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি (Technical feasibility) বলতে কোনো সিস্টেম (system)-কে টেকনিক্যালি আপডেড (Technically update) করতে হলে কস্ট/ ফিনান্সিয়াল (cost/financial)-এর সাথে কতটুকু সামঞ্জস্য বিধান করে, ম্যানেজমেন্ট (Management) তা সাপোর্ট (Support) করে কি না এবং মার্কেট/প্রোডাক্ট (market/product) এর কোনো ঝুঁকি (Risk) আছে কি না তা নির্ণয় করে ।

ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি

 

বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি (Behavioral feasibility) :

 যখন কোনো ক্যান্ডিডেট ‘সিস্টেম ডেভেলপ (candidate system develop) করে তখন ঐ সিস্টেমের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়, যেমন— বর্তমান সিস্টেম (System)-এর সাথে জড়িত ব্যবহারকারী (User)-দের ট্রেনিং, রদবদল, ছাঁটাই, নতুন ইউজারদের আগমন ইত্যাদি। তাই একটি ক্যান্ডিডেট ‘সিস্টেম ডেভেলপ (candidate system develop) করতে হলে তার বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি (behavioral feasibility) কতটুকু পরিবর্তন হবে তা জানা একান্ত দরকার। এই পরিবর্তনের জন্য কতটুকু কস্ট ইফেক্টিভ (cost-effective) তাও নির্ণয় করা প্রয়োজন। যদি সিস্টেম (system)-এর বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি (behavioral feasibility) না থাকে তবে ঐ সিস্টেম (System) বাদ দিয়ে অল্টারনেটিভ সিস্টেম (Alternative system) এর কথা ভাবতে হবে।

 

আরও দেখুনঃ

২ thoughts on “ইকোনোমিক, টেকনিক্যাল এবং বিহেভিওরাল ফিজিবিলিটি”

Leave a Comment