আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বা ট্র্যাডিশনাল প্রোগ্রামিং এর অসুবিধাসমূহ – যা অধ্যায় ১ অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর অন্তর্ভুক্ত। বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি হচ্ছে কম্পিউটার প্রযুক্তি। কারণ শিল্পকারখানা, গবেষণা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাশাস্ত্র ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রই আজ কম্পিউটার অটোমেটেড। কম্পিউটার অটোমেশনের সঙ্গে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামিং লেখার জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাই শিক্ষা ও গবেষণার জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অধ্যয়ন একটি অতি আবশ্যকীয় বিষয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহ বিবেচনা করে বর্তমানে কারিগরি শিক্ষার সকল টেকনোলজিতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিষয়কে আবশ্যিক করা হয়েছে ।

প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বা ট্র্যাডিশনাল প্রোগ্রামিং এর অসুবিধাসমূহ
নিম্নে ট্র্যাডিশনাল-প্রোগ্রামিং-এর অসুবিধাসমূহ আলোচনা করা হল। যথাঃ
- ট্র্যাডিশনাল-প্রোগ্রামিং-এ হাজার হাজার লাইনের বড় প্রোগ্রাম লিখা সহজ কিন্তু পরবর্তীতে এর কোডিং করা বেশ কষ্টকর। বড় বড় প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কোন ফাংশনের জন্য কোন ডাটা ব্যবহৃত হচ্ছে তা identify করা জটিল ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
- এতে বিভিন্ন ফাংশনের জন্য গ্লোবাল ডাটা ব্যবহার করা হয় যাতে একই ডাটা বিভিন্ন ফাংশন এর জন্য ব্যবহৃত হয়। ফলে
- সিস্টেমের security হ্রাস পায়।
- প্রয়োজনে যে কোন সময় প্রোগ্রামে অতিরিক্ত ডাটা বা ফাংশন যোগ করা যায় না। এ জন্য পুরো প্রোগ্রাম টিকে change করতে হতে পারে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামিং-এ ভুল-ত্রুটি নির্ণয় ও এদের সমাধান করা অনেক কঠিন।
- ট্র্যাডিশনাল প্রোগ্রামিং-এ একটি বড় সমস্যাকে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি ভাগের জন্য এক বা
- একাধিক ফাংশন বর্ণনা করা হয় যাদেরকে একত্রিত করে মূল সমস্যার সমাধান করা হয়। তাই এই প্রক্রিয়া বেশ জটিল।
- এই পদ্ধতিতে বড় বড় প্রোগ্রাম লিখতে গিয়ে data abstraction, code reusablity ইত্যাদি বিষয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।
- এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের মেইনটেন্যান্স করা অনেক কঠিন কাজ।
- সর্বোপরি এতে ব্যবহৃত ফাংশনসমূহ action oriented যা বাস্তব জীবনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
