আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস চিহ্নিতকরণ ও ডিভাইসের রক্ষণাবেক্ষণ – যা অধ্যায় ১ ”কম্পিউটার হার্ডওয়্যার” এর অন্তর্ভুক্ত। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সকাল টেকনোলজিতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় “কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন-১” বইটি প্রশমিত হন। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক চার বছর মেয়াদি (প্রবিধান ২০০০) সিলেবাসের আলোকে এ মইটি লেখা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। সেজন্য প্রত্যকেরই কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান থাকা আবশ্যক। এই উদ্দেশ্যে কাগিরি শিক্ষার সকান টেকনোলজিতে কম্পিউটার বিষয়টি আবশ্যিক করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে যার ঘাসীদেরকে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির বেসিক অ্যাপ্লিকেশনসমূহ জানাতে আমাদের সম্মিলিত এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

Table of Contents
প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস চিহ্নিতকরণ ও ডিভাইসের রক্ষণাবেক্ষণ
কম্পিউটারের মেমরিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়, যথাঃ
১। প্রাইমারি মেমরি
২। সেকেন্ডারি মেমরি।
প্রাইমারি মেমরি
যে মেমরি সিপিইউ-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে, তাকে প্রাইমারি মেমোরি বলে। এটি অস্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় অংশ অর্থাৎ কিছু প্রোগ্রাম এ মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। যেমন-
১। RAM
২। ROM
৩। CMOS
81 Cache Memory.
সেকেন্ডারি মেমরি
যে সকল মেমোরি সিপিইউ-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না, তাকে সেকেন্ডারি মেমরি বলে। এটি স্থায়ী মেমোরি, যেমন-
১। Floppy Disk
২। Hard Disk Drive
৩। CD
8 DVD
৫। Pen Drive.
প্রাইমারি মেমরি ও সেকেন্ডারি মেমরি রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ
১। র্যাম কিছুদিন পর পর খুলে পরিষ্কার করতে হবে।
২। র্যামের অস্থায়ী ডাটা Cleaning Software ব্যবহার করে মুছে ফেলতে হবে।
৩। Disk Clean up ব্যবহার করে HDD-এর অপ্রয়োজনীয় ডাটা মুছে ফেলতে হবে।
৪। কিছুদিন পর পর Casing খুলে পরিষ্কার করতে হবে।
৫। CD/DVD, HDD খুলে পরিষ্কার করে আবার যথাযথভাবে লাগিয়ে রাখতে হবে।
৬। CD/DVD এর Head-কে পরিষ্কার রাখতে হবে।
৭। Voltage উঠানামা করা বা Electricity ঠিকমতো Supply না হলে PC/Memory উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। সুতরাং বিদ্যুৎ সরবরাহের দিকে নজর রাখতে হবে।

৮। Computer যেখানে রাখা হবে সেখানকার তাপমাত্রা স্বাভাবিক হতে হবে।