নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of network protocol)

আজকে আমরা নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা নেটওয়ার্ক প্রটোকল এর অন্তর্গত।

 

নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য

 

নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of network protocol)

দুটি এনটিটির মধ্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ স্থাপিত হতে পারে। যদি দুটি সিস্টেম কোন পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট লিংকরে শেয়ার করে তবে উভয় সিস্টেমের এনটিটিসমূহ সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। অর্থাৎ মধ্যবর্তী কোন কার্যকরী প্রতিনিধি হাতিরেকেই উপাত্ত ও নিয়ন্ত্রণ তথ্য এনটিটিসমূহের মধ্যে সরাসরি বিনিময় হতে পারে।

 

নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য

 

মাল্টিপয়েন্ট বা ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষভাবে যোগাযোগ হতে পারে, তবে এক্ষেত্রে এনটিটিসমূহ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ কৌশল ( Access control Rechnique) এর সাথে জড়িত। ফলে ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্কের প্রটোকল পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট নেটওয়ার্ক প্রটোকলের তুলনায় বেশি জটিল। প্রকৃতির হয়। চিত্রে নেটওয়ার্ক এনটিটিসমূহের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ দেখানো হল। যদি সিস্টেমসমূহ সুইচড্ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক (Switched communication network) এর মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে তবে কোনক্রমেই এতে প্রত্যক্ষ প্রটোকল ব্যবহার করা যায় না।

এক্ষেত্রে যে কোন দুটি এনটিটির উপাত্ত স্থানান্তরের কাজ অন্যান্য এনটিটি দ্বারা প্রভাবিত হয়। আবার এমনও হয় যে, দুটি এনটিটি একই সুইচড় নেটওয়ার্ককে শেয়ার না করেই দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সংযুক্ত হতে পারে। পরস্পর আন্তঃসংযোগ বিশিষ্ট এ ধরনের নেটওয়ার্ক-গুচ্ছ (Set) কে ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়। চিত্রে নেটওয়ার্ক এনটিটিসমূহের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ দেখানো হল।

 

নেটওয়ার্ক প্রটোকলের বৈশিষ্ট্য

 

একক/স্তরিক প্রটোকল (Monolithic / Structured protocol) :

প্রটোকলের অন্য একটি বৈশিষ্ট্য হল এটি একক বা স্তরিত না। বিভিন্ন সিস্টেমের এনটিটিসমূহের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার কাজ একক (Monolithic) প্রটোকল ব্যবহার করে সম্পন্ন করা খুব জটিল। এ অসুবিধা দূর করার জন্য স্তরিক কাঠামোবিশিষ্ট একগুচ্ছ প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে নিচের স্তরের এনটিটিসদর প্রারম্ভিক কার্যাবলি সম্পন্ন করে এবং উপরের স্তরের এনটিটিসমূহকে সার্ভিস প্রদান করে। উপাত্ত বিনিময়ের জন্য উপরের স্তরে এনটিটিসমূহ নিচের স্তরের এনটিটিসমূহের উপর নির্ভরশীল ।

স্ট্যান্ডার্ড/নন-স্ট্যান্ডার্ড প্রটোকল (Standard /Non-standard protocol) ঃ

স্ট্যান্ডার্ড ও নন-স্ট্যান্ডার্ড উভয় রকমের প্রটোক হতে পারে। কোন নির্দিষ্ট যোগাযোগ ব্যবস্থা বা কোন নির্দিষ্ট মডেলের কম্পিউটারের জন্য তৈরিকৃত প্রটোকলকে নন-স্ট্যাড প্রটোক বলা হয় । যদি একাধিক সিস্টেম একই প্রটোকল শেয়ার করে তবে এ ধরনের প্রটোকলকে স্ট্যান্ডার্ড প্রটোকল বলা হয়।

 

 

প্রতিসম/অপ্রতিসম প্রটোকল (Symmetric / Asymmetric) ঃ

প্রটোকল প্রতিসম ও অপ্রতিসম উভয় প্রকারের হতে পারে। তবে বেশিরভাগ প্রটোকলই প্রতিসম শ্রেণির হয়ে থাকে। সমকক্ষ (Peer) এনটিটিসমূহের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার জন্য প্রতিসম প্রটোকল ব্যবহৃত হয় । ক্লায়েন্ট-সার্ভার সিস্টেমে অপ্রতিসম প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।