আজকে আমরা প্রটোকলের কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা নেটওয়ার্ক প্রটোকল এর অন্তর্গত।

Table of Contents
প্রটোকলের কার্যাবলি (Functions of protocols)
প্রটোকল নিম্নলিখিত কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকেঃ
(ক) সেগমেন্টেশন ও রিঅ্যাসেম্বলি (Segmentation and reassembly)
(খ) এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)
(গ) সংযোগ নিয়ন্ত্রণ (Connection control)
(ঘ) আদেশ সরবরাহ (Order delivery)
(ঙ) প্রবাহ নি (Flow control)
(চ) ত্রুটি নিয়ন্ত্রণ (Error control)
(ছ) সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization)
(জ) অ্যাড্রেসিং (Addressing)
(ঝ) মাল্টিপ্লেক্সিং (Multiplexing)
(ঞ) ট্রান্সমিশন সার্ভিসেস (Transmission services

(ক) সেগমেন্টেশন ও রিঅ্যাসেম্বলিঃ
দুটি entity-এর মধ্যে ডাটা ফ্লিমকে এক্সচেঞ্জ করাই হচ্ছে প্রটোকলের কাজ। সাধারণত এ ডাটা একটি নির্দিষ্ট সাইজের ডাটা ব্লক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, অ্যাপ্লিকেশন লেবেলে ডাটা এর লজিক্যাল ব্লককে বলা হয় মেসেজ ডাটাকে মেসেজ বা নির্দিষ্ট আকৃতির ব্লকে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় সেগমেন্টেশন এবং এ সেগমেন্টেড ডাটাকে পুনরায় এক করার প্রক্রিয়াকে বলে রিঅ্যাসেম্বলি প্রতিটি মেসেজ ইউনিটকে বলা হয় প্রটোকল ডাটা ইউনিট (PDU)।
(খ) এনক্যাপসুলেশন :
প্রতিটি PDU. ডাটা ও কন্ট্রোলিং ইনফরমেশন নিয়ে গঠিত। ডাটার সাথে কন্ট্রোল ইনফরমেশন যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় এনক্যাপসুলেশন।
কন্ট্রোল ইনফরমেশনে নিম্নলিখিত তিনটি অংশ থাকে, যথা- (ক) Address (খ) Error detecting code (গ) Protocol control
(গ) সংযোগ নিয়ন্ত্রণ :
কোন একটি entity অন্য একটি entity-এর সাথে যে কোন প্রকার যোগাযোগ ও পূর্বানুমতি ছাড়াই ডাটা পাঠাতে পারে। এ ধরনের ডাটা পাঠানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় সংযোগবিহীন ডাটা স্থানান্তর (Connectionless data transfera এক্ষেত্রে প্রটোকল entity-সমূহের মধ্যে সংযোগ প্রতিষ্ঠা, নিয়ন্ত্রণ, ডাটা স্থানান্তর এবং ট্রান্সমিশন শেষে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
(ঘ) আদেশ সরবরাহঃ
যদি দুটি কমিউনিকেশন entities একটি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে, তাহলে PDU নির্দিষ্ট entity-তে না পৌঁছে অন্যটিতেও পৌঁছাতে পারে। এ অবস্থায় প্রটোকল নির্দিষ্ট entity-তে PDU-কে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করে। এক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, যথা-
১। Stop and wait.
২। স্লাইডিং উইন্ডো টেকনিক।

(ঙ) প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ঃ
এ ফাংশনটি গ্রাহক entity কর্তৃক নির্ধারিত হয় উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের গতি সমান না হলে উভয়ের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের গতির সামঞ্জস্যতা করানোর ব্যবস্থা প্রটোকল করে থাকে। এ ধরনের ব্যবস্থাকে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ প্রটোকল বলা হয়।
(চ) ত্রুটি নিয়ন্ত্রণ :
প্রটোকলের এ ফাংশনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যার সাহায্যে ডাটা ও নিয়ন্ত্রণকারী তথ্যকে যে কোন প্রকার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা হয়।
(ছ) সিনক্রোনাইজেশন :
যেহেতু দুটি entity-এর মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান হয়, এজন্য অবশ্যই entity- সমূহের মধ্যে সমতা বিধানের জন্য ইনিশিয়ালাইজেশন চেক পয়েন্ট ও টার্মিনেশন ইত্যাদির যুগপৎভাবে অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। এ সমস্ত Term-কেই সিনক্রোনাইজেশন বলে। প্রটোকল এ সিনক্রোনাইজেশন কাজটি সম্পন্ন করে।
(জ) অ্যাড্রেসিং
দুটি entity’র মধ্যে ডাটা স্থানান্তর করার ক্ষেত্রে একে অপরকে অবশ্যই Identify করতে হবে। সাধারণত entity-সমূহকে নাম ও নম্বর যারা Identify করার দায়িত্ব নেয় প্রটোকল।
(ঝ) মাল্টিপ্লেক্সিং ঃ
মাল্টিপ্লেক্সিং হল একাধিক ডাটাকে একটি ট্রান্সমিশন মিডিয়ার মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করার পদ্ধতি। প্রটোকল বিভিন্ন entity’র মধ্যে বিভিন্ন লেবেলে মাল্টিপ্লেক্সিং এর দায়িত্ব পালন করে থাকে।
(ঞ) ট্রান্সমিশন সার্ভিসেসঃ
প্রটোকল বিভিন্ন entity এর মধ্যে বিভিন্ন অতিরিক্ত বেশ কিছু সার্ভিস সরবরাহ করে থাকে। যেমন-
Priority বা প্রাধান্যঃ
প্রটোকলের মাধ্যমে বিভিন্ন entity’র মধ্যে Priority বা প্রাধান্য নির্ধারিত হয়।
মেড অব সার্ভিস ঃ
এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন Throughpur এর মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির ডাটা ব্যবহৃত হয়।
নিরাপত্তা :
প্রটোকল সিস্টেম ও ইউজার লেবেলে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা বিধান করে।