তথ্যের প্রকারভেদ

তথ্যের প্রকারভেদ – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি” বিভাগের একটি পাঠ।

তথ্যের প্রকারভেদ | ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

তথ্যের প্রকারভেদ

 

বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা একক তার বা একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয় প্রযুক্তিকে প্রকাশ করা হয়। পূর্বে এই কাজগুলো শুধুমাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে করা হলেও বর্তমানে মোবাইল ও বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে আইসিটির কাজ করা হয়।

প্রধানত Information তিন প্রকার-

(ক) অর্গানাইজেশন-ভিত্তিক তথ্য (The organization-based Information),

(খ) ইউজার স্টাফ-ভিত্তিক তথ্য (User staff-based Information), 

(গ) কাজের ধরন/প্রকৃতি-ভিত্তিক তথ্য (The work itself-based Information)।

 

অর্গানাইজেশন-ভিত্তিক ইনফরমেশনগুলো নিম্নে দেওয়া হলো-

(ক) পলিসিস (Policies),

(খ) গোল (Goals),

(গ) অবজেক্টিভ (Objectives),

(ঘ) অর্গানাইজেশন স্ট্রাকচার (Organization structure)।

 

ইউজার স্টাফ-ভিত্তিক ইনফরমেশনগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 

(ক) অথোরিটি রিলেশনশিপ (Authority relationaship),

(খ) জব ফাংশন (Job function),

(গ) ইনফরমেশন রিকুয়ারমেন্ট (Information requirement),

(ঘ) ইন্টারপারসোনাল রিলেশনশিপ (Interpersonal relationship)।

তথ্যের প্রকারভেদ | ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

 

কাজের প্রকৃতিভিত্তিক ইনফরমেশনগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

(ক) ওয়ার্ক ফ্লো (Work flow),

(খ) মেথড এবং প্রসিডিউর (Methods and procedure), 

(গ) ওয়ার্ক সিডিউল (Work schedules)।

 

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, মিডলওয়্যার তথ্য সংরক্ষণ, অডিও-ভিডিও সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন। প্রযুক্তিতে আইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করে একাডেমিক গবেষকরা ১৯৮০ সালের দিকে। কিন্তু শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকে। স্টিভেনসন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই শব্দটি উল্লেখ করেন, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।

১ thought on “তথ্যের প্রকারভেদ”

Leave a Comment