এক্সটারনাল ফর্ম, ইনপুট এবং ডায়ালগ স্ক্রিনের ডিজাইনের পারফরমেন্স পর্যবেক্ষণ নিয়ে আজকের আলোচনা। কোনো ডিজাইনের প্রথম ধাপই হচ্ছে কোনো সিস্টেমের ইনপুট ও আউটপুট ডিজাইন করা। ইনপুট নির্ভর করবে আউটপুটের উপরে। ইনফরমেশন সিস্টেমে যে-কোনোপ্রকার ডাটা প্রসেস করা উচিত নয়। এজন্য প্রসেসিং সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
Table of Contents
এক্সটারনাল ফর্ম, ইনপুট এবং ডায়ালগ স্ক্রিনের ডিজাইনের পারফরমেন্স পর্যবেক্ষণ

সিকিউরিটি বলতে অনির্বাচিত ব্যক্তি দ্বারা ডিস্ট্রাকশন, ডিসক্লোজার এবং ইন্টারন্যাশনাল মডুলেশন থেকে ডাটা
এবং প্রোগ্রামকে রক্ষা করা বুঝায়।
উদ্দেশ্য (Objective):
(ক) ইনপুট ও আউটপুট নির্বাচনের স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে অবগত হওয়া।
(খ) সিকিউরিটি ও নিরাপত্তার স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ ।
(গ) ডায়ালগ স্ক্রিন ডিজাইন সম্পর্কে অবগত হওয়া । (ঘ) বিভিন্ন প্রকার মেসেজ সিস্টেম সম্পর্কে অবগত হওয়া।
তত্ত্ব (Theory) :
নিম্নে প্রত্যেকটি অংশের কার্যক্রম আলাদা আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে।
ইনপুট/আউটপুট স্পেসিফিকেশন :
ইনপুট ডিজাইন (Input design) :
ইনপুট ডিজাইন একটি পদ্ধতি, যা ইউজার অরিয়েন্টেড ইনপুটকে কম্পিউটার-বেসড ফরম্যাটে রূপান্তর করে। যেমন— ইউজার কী-বোর্ড (keyboard) থেকে ডাটা (data) দিবে। ঐ ডাটা কী-বোর্ড (Keyboard)-এর মধ্যে RAM- এ প্রবেশ করবে।
আউটপুট ডিজাইন (Output design) :
কম্পিউটারের আউটপুট অথবা কোনো সিস্টেমের আউটপুট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আউটপুট একমাত্র অবক্টেটিভ (objective) বা উদ্দেশ্য। একটি সুসংগঠিত, দক্ষ আউটপুট ডিজাইন সিস্টেম (output design system) এর গতিকে অনেকাংশে বাড়াতে পারে। যেমন- কম্পিউটারের আউটপুট প্রিন্টার, প্লটার (printer. plotter) ইত্যাদি দ্বারা বের হয়। তাহলে আউটপুট ডিজাইনের সময় অবশ্যই এসব ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে আউটপুট কোয়ালিটি (output quality) কেমন হবে, কতগুলো আউটপুট (output) নিতে হবে এবং এটি ইনপুট (input) এর সাথে সমতা রক্ষা করে কি না।

আউটপুট মিডিয়া এবং ডিভাইস (Input media and devices):
(ক) পাঞ্চ কার্ড (Punch card) :
এটি ৮০ অথবা ৯৬ কলাম বিস্তৃত। ডাটাগুলো সিকুয়েন্সিয়াল অথবা লজিক্যাল ক্রম (order)-এ থাকে। মেশিন (machine)-এ পাঞ্চ কার্ড প্রবেশ করালে তার মধ্যে ডাটা (Data) প্রতিস্থাপিত হয়।
(খ) কী টু ডিসকেট (key-to-diskette) :
কার্ডের মতো ডিসকেটে এর মধ্যে সোর্স ডাটা (source data) রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সিস্টেম (system)-এ ফিড (feed) করানো যায় ।
(গ) এম.আই.সি.আর (MICR) ঃ
এ পদ্ধতিতে ম্যাগনেটিক কালি (ink) দ্বারা লিখিত ডাটাকে ডাইরেক্ট (direct) কম্পিউটার ইনপুট (input) হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
(ঘ) মার্ক সেনসিং (Mark sensing) :
পেন্সিলের দ্বারা মার্ক করা চিহ্ন কম্পিউটার বুঝতে পারে এবং ডাটা গ্রহণ করে।
(ঙ) অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (Optical character recognition/OCR) :
এটি MICR-এর মতো হবে তবে এখানে ম্যাগনেটিক্যালি মার্ক (magnetically mark)-এর পরিবর্তে পেনসিল (Pencil), কালি দিয়ে তথ্য ভরাট করা হয়।
(চ) অপটিক্যাল বারকোড (Optical barcode) :
একে ইউনিভার্সাল প্রোডাক্ট কোড (Universal Product Code) (UPC) বলে। এই কোড কম্পিউটারকে তথ্য প্রদান করে।

আউটপুট মিডিয়া এবং ডিভাইস (Output media and devices):
(ক) এম.আই.সি.আর রিডার (M.I.C.R Reader)
(খ) লাইন, ডট মেট্রিক্স এবং ডেইজি হুইল হেড প্রিন্টার (Line, Dot matrix and daisy wheel head printer)
(গ) কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফার্ম (COM)
(ঘ) সি.আর.টি স্ক্রিন ডিসপ্লে (CRT Screen display)
(ঙ) গ্রাফিক্স প্লটার (Graphics plotter
(চ) অডিও রেসপন্স (Audio-response)
সিকিউরিটি ও নিয়ন্ত্রণ স্পেসিফিকেশন :
নিরাপত্তা একটি সিস্টেমের অপরিহার্য উপাদান। ডিজাইনের উপাদানগুলোর সুষ্ঠু সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি কার্যকরী নিরাপদ সিস্টেম গড়ে তোলাই হচ্ছে সিকিউরিটি ব্যবস্থাপনার মূল কাজ। কন্ট্রোল যে-কোনো কার্য পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কন্ট্রোল এর মাধ্যমে ডিজাইন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ভৌত সমস্যার সমাধান দেওয়া হয় এবং সম্পূর্ণ ব্যবস্থার কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এ ডায়ালগ স্ক্রিন :
কম্পিউটার ও ব্যবহারকারী এই দুইয়ের মধ্যে তথ্যের এক্সচেঞ্জ (Exchange) হচ্ছে ডায়ালগ। এখানে রিপোর্ট, ফর্ম আলাদা আলাদাভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। ডায়ালগে ডাইনামিক এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ আলাদাভাবে অবস্থান করে থাকে। এটি ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনের সাথে লিংকড থাকে।
ডায়ালগকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ইনস্ট্রাকশন ডায়ালগ
(খ) অ্যাসিস্ট্যান্স ডায়ালগ
(গ) কোয়েশ্চেন অ্যান্ড আনসার ডায়ালগ ।
এ মেসেজ সিস্টেমের প্রকারভেদ :
আমরা একস্থান থেকে অন্যস্থানে যে-সকল ডাটা প্রেরণ করি, তাকেই মেসেজ উপাত্ত বলা হয়। মেসেজ প্রেরণের সিস্টেমকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-
(ক) পয়েন্ট টু পয়েন্ট মেসেজ
(খ) পাবলিস সাবসক্রাইবার মেসেজ।
(ক) পয়েন্ট টু পয়েন্ট মেসেজ ঃ
এককভাবে কার্য পরিচালনার জন্য পয়েন্ট টু পয়েন্ট মেসেজ ব্যবহৃত হয়। এটি শুধুমাত্র একজন গ্রাহকের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে । গ্রাহক সার্ভার থেকে তার মেসেজটুকু সংগ্রহ করে নিতে পারে ।
(খ) পাবলিস সাবসক্রাইবার মেসেজ :
পাবলিস-সাবসক্রাইবার মেসেজিং মডেল হচ্ছে অধিক ব্রডকাস্ট ওরিয়েন্টেড মডেল। অনেক গ্রাহককে একসাথে সেবা প্রদান করার একটি মাধ্যম হচ্ছে পাবলিস-সাবসক্রাইবার মেসেজ। এটি সকল গ্রাহকদের জন্য মেসেজকে সরবরাহ করে থাকে।
সাবধানতা (Precaution) :
(ক) সাবধানে পাওয়ার সরবরাহ করতে হবে।
(খ) সাবধানে কার্যপরিচালনা করতে হবে।
উপসংহার (Conclusion) :
এই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা এক্সটার্নাল ফর্ম, ইনপুট এবং ডায়ালগ স্ক্রিনের ডিজাইনের কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে সক্ষম হই।
আরও দেখুনঃ

২ thoughts on “এক্সটারনাল ফর্ম, ইনপুট এবং ডায়ালগ স্ক্রিনের ডিজাইনের পারফরমেন্স পর্যবেক্ষণ”