আজকের আলোচনার বিষয়ঃ ট্রান্সমিশন মিডিয়ার ক্যাটাগরিগুলোর নাম । যা ট্রান্সমিশন মিডিয়া ও সংযোগের অন্তর্গত।

Table of Contents
ট্রান্সমিশন মিডিয়ার ক্যাটাগরিগুলোর নাম (Mention the categories of transmission media)
Transmission media হল একটি Material substance (Solid, Liquid কিংবা Gas হতে পারে), যা দ্বারা Energy wave উৎপন্ন করা যায়। যেমন- সাধারণত কান দ্বারা Receive এর Transmission medium হল বাতাস (Air) বা গ্রহণের ক্ষেত্রে কঠিন (Solid) বা তরল (Liquid) পদার্থ ব্যবহার হতে পারে। Transmission medium এর বহুবচন (Plural) হল Transmission media.
বায়ুশূন্য স্থানে (মহাকাশ) Material medium এর অবর্তমানে Electromagnetic wave-এ Transmission medium হল Light এবং Radio wave। সুতরাং আমরা বলতে পারি Transmission medium হল একটি Technical device ] Wave কে Transmit করতে Material substance কে নিয়োজিত করে। তাই অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fiber) অথবা কপার ক্যাবল (Copper cable) কেও Transmission medium বলা যায়।

১৯ শতকের প্রথম ভাগে মোর্স (Mone) কর্তৃক টেলিগ্রাফ (Telegraph) আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রিক সিগনাল Electron signal এর ব্যবহার শুরু হয়। আর এ সিগন্যাল ব্যবহার করে দূরবর্তী যোগাযোগ (Long-distance communication) সূচনা কিন্তু টেলিগ্রাফের মাধ্যমে কমিউনিকেশন ছিল খুব ধীরগতি এবং ধাতব মিডিয়ার (Metallic medium) উপর নির্ভরশীল ১৮৯৯ সালে টেলিফোন (Telephone) আবিষ্কারের ফলে দূরদূরান্তে মানুষের কথা পাঠানো শুরু হয়।
ঐ সময় টেলিফোন কমিউনিকেশনে (Telephone communication) ইলেকট্রিক সিগন্যাল পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল ধাতব মিডিয়া (Metallic media, কিন্তু সে ধাতব মিডিয়ার কোয়ালিটি ছিল অত্যন্ত Poor, লাইন ছিল Noisy পরিপূর্ণ এবং প্রযুক্তি (Technology) ছিল অনভিজ্ঞতা/সাহজিক (Unsophisticated)।
১৮৯৫ সালে যখন হার্জ (Hertz) কে উচ্চ ফ্রিকুয়েন্সি (High Frequency) তে পাঠাতে সক্ষম হয়, তখনই Wireless communication এর যাত্রা শুরু হয়। Wireless communication এর সুবাদে পরবর্তীতে মারকনি (Marconi) আটলান্টিক মহাসাগৰ (Atlantic Ocean) এর এপার-ওপারের মধ্যে লিখিত Message পাঠানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে উন্নতমানের ধাতব মিডিয়া উদ্ভাবন হয় যেমন- Twisted pair. Co-axial cable এবং সর্বশেষ আবিষ্কার Optical fiber আবার এরই মাঝে Wireless communication এরও বেশ উন্নতি সাধিত হয়।
কম্পিউটার এবং অন্যান্য টেলিকমিউনিকেশন ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটার আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে Signal ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ Signal ডাটার represent করে থাকে। আর এ সিগন্যালকে Electromagnetic energy ফরমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে Transmit করতে হয়। সিগন্যালকে Transmit করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় Transmission media.

প্রকারভেদ (Classification) :
Transmission medium কে নিম্নলিখিত প্রকারে ভাগ করা যায় :
(ক) Linear medium
(খ) Bounded medium
(গ) Uniform medium
(ঘ) Isotropic medium
ট্রান্সমিশন মিডিয়ার ক্যাটাগরিগুলোর নাম
কম্পিউটার এবং অন্যান্য টেলিকমিউনিকেশন ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটার আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে Signal ব্যবহার করা হয় Signal Represent করে থাকে। আর এ সিগন্যালকে Electromagnetic signal রূপে Transmission me t মধ্য দিয়ে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে Transmit-receive করার ফলে Communication সৃষ্টি হয়।

Transmission medium-এর বহুবচন হল Transmission media। সুতরাং Transmission media হল কিছু Technical device এর সমষ্টি যা Signal এর Wave কে Transmit করতে Material substance (Solid, liquid) এবং Free space (Air, vacuum) কে নিয়োজিত করে।
টেলিকমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে Transmission media-কে দুটি ক্যাটাগরি (Categories) তে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) Quided
(খ) Unguided.
২ thoughts on “ট্রান্সমিশন মিডিয়ার ক্যাটাগরিগুলোর নাম (Mention the categories of transmission media)”