জেকে ফ্লিপ ফ্লপ আজকের আলোচনার বিষয় | “জে.কে.” ফ্লিপ ফ্লপ [ “JK” Flip Flop ] – ক্লাসটি “এইচএসসি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) [ HSC (Information and Communications Technology) ] বিষয়ের “অধ্যায় ৩, নম্বর সিস্টেম এন্ড ডিজিটাল ডিভাইস [ Chapter 3, Number System and Digital Device ]” এর পাঠ | এই ক্লাসটি বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড [Bangladesh Education Board] এর এইচএসসি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) [ HSC (Information and Communications Technology) ] এ পড়ানো হয়।
Table of Contents
জেকে ফ্লিপ ফ্লপ

ফ্লিপ ফ্লপ
ফ্লিপ-ফ্লপ বা ল্যাচ (ইংরেজি: Flip-flop অথবা latch) ফ্লিপ ফ্লপ হলো ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত এক ধরনের যন্ত্র যা উপাত্ত সঞ্চিত রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। ইলেক্ট্রনিক তথ্য প্রযুক্তির ধারাবাহিক যুক্তি তন্ত্রে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। একটি ল্যাচ এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে। ১৯১৮ সালে বৃটিশ পদার্থবিদ উইলিয়াম একেল্স ও এফ. ডব্লি. জর্ডান প্রথম ইলেকট্রনিক ফ্লিপ-ফ্লপ উদ্ভাবন করেন প্রাথমিক ভাবে এর নাম ছিলো একেল্স-জর্ডান ট্রিগার সার্কিট যা দইটি কার্যকর উপাদান (ভ্যাকুয়াম টিউব) দিয়ে গঠিত ছিল।

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার
ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার বা প্রয়ােগ ক্ষেত্র
সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট গঠনে ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার সর্বাধিক। নিচে ফ্লিপ-ফ্লপের কিছু সংখ্যক ব্যবহার তুলে ধরা হলাে–
১. Bounce elimination সুইচ তৈরিতে।
২. তথ্যে সংরক্ষণের জন্য রেজিস্টার তৈরিতে।
৩. Frequency divider হিসেবে।
৪. ইলেকট্রনিক কাউন্টার সার্কিট তৈরিতে।
৫. ক্লক ফ্রিকুয়েন্সি সিরিয়াল এবং প্যারালাল স্থানান্তরকরণে।
৬. ক্লক ফ্রিকুয়েন্সি সংরক্ষণ এবং পুন ব্যবহারকরণে।
৭. ডিজিটাল কম্পিউটার তৈরিতে।
৮. বিভিন্ন লজিক গেইট তৈরিতে।
৯. মেমােরি উপাদান হিসেবে এবং
১০. বিভিন্ন গাণিতিক লজিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। এবং
১১. ডেটা ট্রান্সফার করতে ব্যবহৃত হয়।
