আজকে আমরা নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার হিসেবে ক্যাবল টোস্টার ও ব্যবহৃত জিনিসপত্রের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে আলোচনা করবো। যা ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের ব্যবহারিক অংশের অন্তর্গত।

Table of Contents
নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার হিসেবে ক্যাবল টোস্টার ও ব্যবহৃত জিনিসপত্রের পর্যবেক্ষণ (Identify cable tester and accessories network hardware’s)
উদ্দেশ্য (Objectives)
(ক) ক্যাবল টেস্টারের পরিচিতি সম্পর্কে অবগত হওয়া।
(খ) ক্যাবলের বিভিন্ন প্রকার ফন্ট ডিটেকশন আ
(গ) এদের ব্যবহার সম্পর্কে আন লাভ।
তত্ত্ব (Theory) :
ক্যাবল টেস্ট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা দ্বারা ক্যাবলের কানেকশনগুলো যথার্থ আছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়।
সাধারণত ক্যাবলের টেস্টে ব্যবহৃত হয়-
(ক) ইলেকট্রিক কারেন্টের সোর্স
(খ) একটি ভোল্টমিটার।
(গ) ক্যাবলের সকল contact পয়েন্টের কারেন্ট এবং ডোন্টেজের কানেকশনে একটি সুইচিং ম্যাট্রিক্স ব্যবহৃত হয়।
সাধারণত ক্যাবলের দুটি ফেজের পরীক্ষা করা হয়, প্রথম ফেজকে বলা হয় ওপেন টেস্ট যা ইনডেড কানেকশন ভালো কিনা তা পরীক্ষা করে থাকে। দ্বিতীয় ফেজকে বলা হয় শর্ট টেস্ট যা Unitended কানেকশন তৈরি করে না।

কানেকশন পরীক্ষা
কানেকশন পরীক্ষা করার জন্য দুটি সাধারণ উপায় হলো-
(ক) কনটিনিউটি টেস্ট ঃ
কারেন্ট কানেকশনের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
(খ) রেজিস্ট্যান্স টেস্ট :
কারেন্ট কানেকশনের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং ভোল্টেজকে পরিমাণমতো উন্নয়ন করে থাকে।
টেস্টকে উর্ট করার জন্য দুটি সাধারণ উপায় রয়েছে। যথা-
(ক) লো-ভোল্টেজ টেস্ট :
এটাতে দুটি কন্ডাক্টরের কানেকশন সোর্স লো-পাওয়ার ও লো-ভোল্টেজ হয়ে থাকে।
(খ) হাই ভোল্টেজ টেস্ট
এটাতে ভোল্টেজ সোর্স সংযুক্ত থাকে।

ক্যাবলকে অ্যানালাইসিস করলে দেখা যায় যে, শুধুমাত্র এক্সটার্নাল কারণে ৭০% ক্যাবলের সমস্যা হয়। এক্সটার্নল নুমার ক্যাবলের সমস্যা নয় এটা ক্যাবলের ইফিসিয়েন্সিকে যথাযথভাবে পরিচালিত হতে বাধা সৃষ্টি করে থাকে। অধিকন্ত বৃহৎ নাম্বারে সার্কিট যা ৩৬০০ এর উপরে হতে পারে। এ সকল ক্ষেত্রে ক্যাবলের ফন্ট দেখা দিয়ে থাকে। সাধারণ টাইপের ক্যাবলের ফল্ট ডিটেকশনগুলো হলো-
(ক) আর্থ ফন্ট (Earth faulty
(খ) লো ইনসুলেশন ফন্ট (Low insulation faulty
(গ) ডিটেকশন ফন্ট (Detection fault)
(ঘ) শর্ট সার্কিট ফন্ট (Short circuit fault)
(ক) আর্থ ফল্ট (Earth fault)
যখন ক্যাবল ইনসুলেশনের আর্থ এবং কন্ডাক্টর কম হয় তখন যে ফন্ট দেখা দেয়, তাই হলো আর্থ ফন্ট।
(খ) লো ইনসুলেশন ফন্ট (Low Insulation fault)
যখন কোন কন্ডাক্টর পেয়ার বা আর্থ এর ইনসুলেশন সাধারণত (0.5 মেগা তহম) এর কম হয় তখন তাকে লো ইনসুলেশন ফন্ট বলা হয় ।
(গ) ডিটেকশন ফন্ট (Detection fault) :
যখন কোন কন্ডাক্টর Cut হয় আর এর ফলে যে ফন্ট দেখা যায়, তাকে ডিটেকশন ফ) বলা হয়। ডিটেকশন ফন্টকে আবার হাই রেজিস্ট্যান্স ফল্ট বলা হয়।
(ঘ) শর্ট সার্কিট ফন্ট (Short circuit fault)
যখন ওয়্যার বা কন্ডাক্টরের মধ্যে রেজিস্ট্যান্স খুব লো হয়, তখন সার্কিটের মধ্যে যে সমস্যা দেখা দেয়, তাকে বলা হয় শর্ট সার্কিট ফন্ট।

উপসংহার (Conclusion) ঃ
উপরোক্ত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা ক্যাবল টেস্টার ও এর ব্যবহৃত জিনিসপত্র সম্পর্কে জানতে পারলাম।