উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “অর্গানাইজেশনাল ফাংশন এবং সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল” বিভাগের একটি পাঠ।
![]()
Table of Contents
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, মিডলওয়্যার তথ্য সংরক্ষণ, অডিও-ভিডিও সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন।
প্রযুক্তিতে আইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করে একাডেমিক গবেষকরা ১৯৮০ সালের দিকে।কিন্তু শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকে। স্টিভেনসন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই শব্দটি উল্লেখ করেন, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।
একটি উৎপাদনকারী বা উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের যে-সমস্ত বিভাগ (Department) থাকতে পারে, তা হলো-
(ক) উৎপাদন (Production)
(খ) মার্কেটিং (Marketing)
(গ) অর্থনীতি (Finance)
(ঘ) কর্মচারীবর্গ (Personnel )
(ঙ) ক্রয় (Purchase)
(চ) মেইনটেন্যান্স (Maintenance)
(ছ) স্টোরস (ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট) (Stores (Materials management)
(জ) রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (Research and Development) ।
আর এ সমস্ত ডিপার্টমেন্টগুলোর ফাংশন বা কাজ নিম্নে ছক আকারে দেয়া হলো-

বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা একক তার বা একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয় প্রযুক্তিকে প্রকাশ করা হয়। পূর্বে এই কাজগুলো শুধুমাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে করা হলেও বর্তমানে মোবাইল ও বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে আইসিটির কাজ করা হয়।একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ের ফলে বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক খরচ কমে গিয়েছে।
১ thought on “উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট”