ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি” বিভাগের একটি পাঠ।

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি | ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি

প্রযুক্তিতেআইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করে একাডেমিক গবেষকরা ১৯৮০ সালের দিকে।কিন্তু শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকে। স্টিভেনসন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই শব্দটি উল্লেখ করেন, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন (Initial investigation) :

প্রাথমিক জরিপ হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অনুরোধকে পরীক্ষা করে দেখা হয় এ মর্মে যে, উক্ত অনুরোধ যথার্থ এবং বাস্তবসম্মত কি না আর যদি তা বাস্তবসম্মত হয় তবে তা ইমপ্লিমেন্টের জন্য সুপারিশ করা হয়। সিস্টেম ডেভেলপমেন্টের পূর্বে প্রাথমিক জরিপের প্রয়োজন অপরিহার্য। 

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশনের পদ্ধতি/ধাপসমূহ (The steps of initial investigation process):

ইনিশিয়াল ই’নভেস্টিগেশন হচ্ছে ব্যবহারকারীর অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখা যে, তাদের অনুরোধগুলো যথার্থ কি না।

(ক) প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান হচ্ছে ইনিশিয়াল ‘ইনভেস্টিগেশনের প্রথম পদক্ষেপ। এর মধ্যে আছে লিখিত ডকুমেন্ট পর্যালোচনা, সাইটের পর্যবেক্ষণ, সাক্ষাৎকার ও প্রশ্নাবলি।

(খ) ইনিশিয়াল ‘ইনভেস্টিগেশনের পরের ধাপ হলো প্রকৃত ঘটনা ।

(গ) প্রকৃত ঘটনা পদ্ধতিতে যে ডাটা কালেক্টেড হয়েছে তা অর্গানাইজ এবং ইভ্যালুয়েট করে কালেক্টেড ডাটাকে অর্গানাইজ এবং ইভ্যালুয়েট করার পর ফাইনাল রিপোর্ট তৈরি করা।

 

ধাপসমূহের কাজ করার জন্য চারটি উপায় রয়েছে, যথা-

(ক) ইনপুট/আউটপুট অ্যানালাইসিস (Input/output analysis), 

(খ) ডাটা ফ্লো’ ডায়াগ্রাম (Data flow diagrams),

(গ) ডিসিশন টেবিল (Decision table),

(ঘ) স্ট্রাকচারাল ডাটা (Structural chart)।

 

ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি | ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি | সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন

 

(ক) ইনপুট/আউটপুট অ্যানালাইসিস (Input/output analysis) :

গিভেন সিস্টেমের উপাদানগুলো এ পদ্ধতির মাধ্যমে পাওয়া যায়। একটি সিস্টেম অ্যানালাইসিসের জন্য ইনপুট/আউটপুট উপাদান জানা একান্ত দরকার।

 

(খ) ডাটা ফ্লো ডায়াগ্রাম (Data flow diagram) :

ডাটা ফ্লো ‘ডায়াগ্রামকে সংক্ষেপে DFD বলা হয়। DFD-এর সাহায্যে ডাটার প্রবাহকে দেখানো হয় । এ ছাড়াও ডাটা কীভাবে প্রক্রিয়া হবে এবং কোথায় জমা হবে তাও বর্ণনা করা যায়। 

 

(গ) ডিসিশন টেবিল (Decision table) :

ডাটা ফ্লো ‘ডায়াগ্রামের সাহায্যে যখন কোনো জটিল লজিককে দেখানো যায় না তখন ডিসিশন টেবিল ব্যবহার করা হয়।

 

(ঘ) স্ট্রাকচারাল চার্ট (Structural chart) :

এটি একটি ওয়ার্কিং টুল এবং একটি উপায়, যার মাধ্যমে সিস্টেমের জন্য ডাটা সংগ্রহ করা যায়। এখন উপরোক্ত পদ্ধতির মাধ্যমে ডাটা অ্যানালাইসিস করার পর ফিজিবল স্টাডি করা হয়। ফিজিবল স্টাডির মাধ্যমে বুঝা যায় ইনিশিয়াল ‘ইনভেস্টিগেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল দ্বারা কোনো বিকল্প পদ্ধতি কার্যকর হয় কি না। যদি কার্যকর হয় তাহলে একটি সেরা প্রার্থী সিস্টেম দাঁড় করানো সম্ভব।

১ thought on “ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন পদ্ধতি”

Leave a Comment