ইনফরমেশনের উৎস – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি” বিভাগের একটি পাঠ।

Table of Contents
ইনফরমেশনের উৎস
মূলত দুটি উৎস হতে তথ্য (Information) পাওয়া যায়—
(i) প্রাইমারি ইন্টারনাল উৎস (Primary internal source)
(ii) প্রাইমারি এক্সটারনাল উৎস (Primary external source)।
(i) প্রাইমারি ইন্টারনাল উৎস (Primary internal source) :
যে-সমস্ত তথ্য সংগঠনের মধ্য হতে উৎপন্ন হয় তাকে প্রথমিক অভ্যন্ত রীণ উৎস (Primary internal source) বলে। যেমন—
(ক) ফিনানসিয়াল রিপোর্ট (Financial Report )
(খ) পারসোনাল স্টাফ (Personal staff)
(গ) প্রফেশনাল স্টাফ (Professional staff); যেমন- Legal counsel, auditor etc.
(ঘ) ম্যানুয়াল (Manuals)
(ঙ) ইউজার স্টাফ (User staff)
(চ) রিপোর্ট (Report)

(ii) প্রাইমারি এক্সটারনাল উৎস (Primary external source) :
যে-সমস্ত তথ্য সংগঠনের বাহিরে পরিবেশ হতে সংগ্রহ করা হয়, তাকে প্রাথমিক বহিস্থ উৎস (primary external source) বলে । যেমন-
(ক) ভেন্ডরস (Vendors )
(খ) সরকারি নথি (Government documents)
(গ) সংবাদপত্র এবং জার্নাল (Newspaper and professional journals)
(ঘ) রিসার্চ (Research)।
বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা একক তার বা একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয় প্রযুক্তিকে প্রকাশ করা হয়। পূর্বে এই কাজগুলো শুধুমাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে করা হলেও বর্তমানে মোবাইল ও বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে আইসিটির কাজ করা হয়।একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ের ফলে বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক খরচ কমে গিয়েছে।
আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইন্ডেক্স বিশ্বব্যাপী আইসিটি ব্যবহার ও আইসিটি তে অংশগ্রহণ তুলনা ও বিন্যাস করে।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
১ thought on “ইনফরমেশনের উৎস”