ইউজার রিকুয়েস্ট ফর্মের ফিল্ড – নিয়ে আজকের আলোচনা। এই পাঠটি “সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন” বিষয় এর “ইনিশিয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করার পদ্ধতি” বিভাগের একটি পাঠ।
ইউজার রিকুয়েস্ট ফর্মের ফিল্ড
ইউজার রিকুয়েস্ট ফর্মের প্রধানত দুটি অংশ থাকে- প্রথম অংশ ইনভেস্টিগেটরদের জন্য, দ্বিতীয় অংশ রিকুয়েস্টারদের জন্য।
এদের ক্ষেত্রগুলো দেওয়া হলো-
(ক) পদ মর্যাদা, কাজের প্রকৃতি, অনুরোধের তারিখ
(খ) কাজের উদ্দেশ্য
(গ) প্রত্যাশিত সুবিধা
(ঘ) আউটপুট স্পেসিফিকেশন রিপোর্টের শিরোনাম, ফ্রিকুয়েন্সির পরিমাণ মন্তব্য
(ঙ) ইনপুট স্পেসিফিকেশন-ডকুমেন্টের শিরোনাম, ফ্রিকুয়েন্সির পরিমাণ, মন্তব্য
(চ) অনুরোধকারীর নাম, স্বাক্ষর, শিরোনাম
(ছ) শিরোনাম, স্বাক্ষর ইত্যাদি দ্বারা অনুমোদিত

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার, মিডলওয়্যার তথ্য সংরক্ষণ, অডিও-ভিডিও সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক ধরনের ব্যবস্থা যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ, সংরক্ষণ, সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন। প্রযুক্তিতে আইসিটি শব্দটির ব্যবহার শুরু করে একাডেমিক গবেষকরা ১৯৮০ সালের দিকে।
কিন্তু শব্দটি জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৭ সাল থেকে। স্টিভেনসন ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্য সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে এই শব্দটি উল্লেখ করেন, যা পরবর্তীতে ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যের নতুন জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন করা হয়।

আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইন্ডেক্স বিশ্বব্যাপী আইসিটি ব্যবহার ও আইসিটি তে অংশগ্রহণ তুলনা ও বিন্যাস করে।বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা একক তার বা একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয় প্রযুক্তিকে প্রকাশ করা হয়। পূর্বে এই কাজগুলো শুধুমাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে করা হলেও বর্তমানে মোবাইল ও বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে আইসিটির কাজ করা হয়। একক লিঙ্ক সিস্টেমের মাধ্যমে টেলিফোন, অডিও-ভিজুয়াল ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ের ফলে বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক খরচ কমে গিয়েছে।
১ thought on “ইউজার রিকুয়েস্ট ফর্মের ফিল্ড”