আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ

আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ নিয়ে আজকের আলোচনা। আউটপুট স্ক্রিনের মাধ্যমে কোনো কার্য পরিচালনার ফলাফল প্রদর্শন করা হয়। আউটপুট ডিসপ্লে স্ক্রিনের ডিভাইস প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল ব্যবহারকারীর বোধগম্য ভাষা’ প্রদর্শন করে। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন প্রকার ডিসপ্লে স্ক্রিন ব্যবহৃত হয়।

আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ

আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ

 

উদ্দেশ্য (Objective) :

(ক) আউটপুট ডিসপ্লে স্ক্রিন সম্পর্কে অবগত হওয়া ।
(ক) আউটপুট ডিসপ্লে স্ক্রিনের কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা।
(গ) আউটপুট রিপোর্ট প্রিন্টিং সম্পর্কে অবগত হওয়া। ঘ) আউট পুট ডিসপ্লে স্ক্রিন ও প্রিন্টিং এর ব্যবহার সম্পর্কে অবগত হওয়া।

তত্ত্ব :

প্রত্যেকটি বিষয় সম্পর্কে নিম্নে আলাদা আলাদাভাবে আলোকপাত করা হলো।

 

google news logo

 

আউটপুট ডিসপ্লে স্ক্রিন :

আউটপুট স্ক্রিন হচ্ছে এমন একটি ডিভাইস, যা আউটপুটকে ডিসপ্লে করতে ব্যবহৃত হয়। এটি হতে পারে আলাদা মনিটর অথবা অন্যান্য ডিসপ্লে ডিভাইস, যা শুধুমাত্র আউট পুট ডিসপ্লে করতে ব্যবহৃত হয়।

আউট পুট ডিসপ্লে স্ক্রিনের কার্যক্রম :

(ক) সিআরটি ডিসপ্লে ডিভাইস বা মনিটর :

যে-কোনো টেক্সট, ছবি বা গ্রাফিক্স প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ বায়ুশূন্য টিউবকে সিআরটি ডিসপ্লে বলে। ক্যাথডকে হিটার দ্বারা প্রায় ১১০০ কেলভিন তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে ইলেকট্রন নির্গত করা হয়। নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রন বিম ফসফরের প্রলেপ দেওয়া স্ক্রিনে আঘাত করে।

রিফ্লেকশন সিস্টেম দ্বারা উক্ত বিমকে স্ক্রিনের বাম প্রান্ত থেকে ডান প্রান্তে, উপর থেকে নিচের দিকে সরানো হয়। ফলে সমস্ত স্ক্রিন আলোকিত হয়। এই আলোকিত স্ক্রিনে সিআরটি ক্যাথডে আগত ভিডিও সিগন্যাল অনুযায়ী গ্রাফিক্স উৎপন্ন হয়। এটি হরিজন্টালি ৪০ ক্যারেক্টার ডাটা এবং ভার্টিক্যালি ২৫ লাইন প্রদর্শন করতে পারে।

(খ) এলসিডি ডিসপ্লে ডিভাইস বা মনিটর :

Liquid Crystal Diode ডিসপ্লে ডিভাইসে উচ্চমাত্রার আণবিক বৈশিষ্ট্যের অর্গানিক লিকুইড ব্যবহার করা হয়, যা আলোর পোলারাইজেশন তথা উজ্জ্বলতা পরিবর্তনের মাধ্যমে সাদা কালো অক্ষর বা গ্রাফিক্স প্রদর্শন করে থাকে। এ ক্ষেত্রে লিকুইড ক্রিস্টাল সেলের দুই পাশে এবং দুটি প্যারালাল গ্লাস তলের ভিতরের দিকে ইন্ডিয়াম অক্সাইড এর স্বচ্ছ পরিবাহী ইলেকট্রোড ব্যবহার করা হয়।

 

আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ

 

আউটপুট রিপোর্ট প্রিন্টিং :

প্রিন্টার হল একটি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস, যার দ্বারা কম্পিউটার কর্তৃক প্রদত্ত ফলাফলকে কাগজে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

(ক) ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার :

ইমপ্যাক্ট প্রিন্টারের ক্ষেত্রে প্রিন্ট হেড রিবনের সাথে বাহ্যিক সংস্পর্শে থাকে। রিবন বা ফিতাটি কাগজ ও হেডারের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে। প্রিন্টারের হেডে সংযুক্ত পিন বা ফ্রন্টগুলো সরাসরি রিবন বা কালি লাগানো ফিতাকে ধাক্কা দেয়। ফলশ্রুতিতে এ ধাক্কা শেষ পর্যন্ত কাগজে আঘাত দেয়। ফলে কাগজে কালি লেগে অক্ষরের ছাপ সৃষ্টি হয়।

(খ) নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার :

এ ধরনের প্রিন্ট হেড কাগজ ও রিবনকে স্পর্শ করে না। এক্ষেত্রে তাপ, আলো, বিদ্যুৎশক্তি বা লেজার বিম ইত্যাদির সাহায্যে তথ্যাদি কাগজে ছাপানো হয়। ছাপানোর সময় এ প্রিন্টারের তেমন কোনো শব্দ হয় না। প্রিন্টিং এর গুণগত মান, গতি ও প্রিন্টিং কৌশলের উপর ভিত্তি করে একে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

 

সাবধানতা (Precaution) :

(ক) সাবধানে পাওয়ার সরবরাহ করতে হবে।

(খ) যথাযথভাবে প্রিন্টারের সংযোগ প্রদান করতে হবে।

 

উপসংহার (Conclusion):

উপরোক্ত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল সম্পর্কে জানতে সক্ষম হই।

 

সূত্র:

  • আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ । সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড ডিজাইন।

আরও দেখুনঃ

২ thoughts on “আউটপুট ডিসপ্লে ও প্রিন্টিং মডিউল পর্যবেক্ষণ”

Leave a Comment