প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মধ্যে পার্থক্য I প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ৩

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মধ্যে পার্থক্য – যা অধ্যায় ১ অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর অন্তর্ভুক্ত। বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি হচ্ছে কম্পিউটার প্রযুক্তি। কারণ শিল্পকারখানা, গবেষণা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাশাস্ত্র ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রই আজ কম্পিউটার অটোমেটেড। কম্পিউটার অটোমেশনের সঙ্গে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও প্রোগ্রামিং লেখার জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাই শিক্ষা ও গবেষণার জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ অধ্যয়ন একটি অতি আবশ্যকীয় বিষয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহ বিবেচনা করে বর্তমানে কারিগরি শিক্ষার সকল টেকনোলজিতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বিষয়কে আবশ্যিক করা হয়েছে ।

 

প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মধ্যে পার্থক্য I প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ৩

 

প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মধ্যে পার্থক্য

 

নিম্নে প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড-প্রোগ্রামিং এর মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরা হলঃ

প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
মূলতঃ High level language যেমন: Cobol, Fortran, Basic, C ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে যে Program রচিত তাকে প্রসিডিওর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বলে।
প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এ বিদ্যমান অসুবিধা সমূহ সমাধানের নিমিত্তে নতুন ধরনের যে প্রোগ্রামিং এর আবির্ভাব তাকে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড-প্রোগ্রামিং বলে।
মূল প্রোগ্রামকে কতগুলো module এ ভাগ করা হয়।
পরবর্তীতে module গুলোর function সমূহকে একত্রিত করে সমস্যার সমাধান করা হয়।
মূল প্রোগ্রামকে এখানে ও কতগুলো ছোট ছোট অংশে মানে object এ ভাগ করা হয়। পরবর্তীতে object সমূহকে একত্রিত করে সমস্যার সমাধান করা হয়।
এতে ডাটা অপেক্ষা ফাংশনের গুরুত্ব বেশি। এতে ফাংশন অপেক্ষা ডাটার গুরুত্ব বেশি।
এই ধরনের প্রোগ্রামিং টপ ডাউন পদ্ধতিতে করা হয়। এই ধরনের প্রোগ্রামিং বটম আপ পদ্ধতিতে করা হয়।
সাধারণ নিয়মে এক ফাংশন অন্য ফাংশন-এর সাথে সংযোগ রক্ষা করে।
মেসেজ পাসিং এর মাধ্যমে এক অবজেক্ট অন্য অবজেক্টের সাথে সংযোগ রক্ষা করে।
এতে প্রতিটি ফাংশনের জন্য আলাদা আলাদা ডাটা থাকে। যাকে লোকাল ডাটা বলে।
এতে প্রতিটি অবজেক্টের জন্য ডাটা ও ফাংশনের সমন্বয়ে একটি একক ইউনিট থাকে।
ডাটা সহজেই এক ফাংশন থেকে অন্য ফাংশনে মুক্ত। করতে পারে।
এতে সহজেই এক অবজেক্টের ডাটা অন্য অবজেক্টে মুভ করতে পারে না।
এই ধরনের প্রোগ্রামিং এ ভুল-ত্রুটি নির্ণয় ও এদের সমাধান বেশ কঠিন।
এই ধরনের প্রোগ্রামিং এ ভুল-ত্রুটি নির্ণয় ও এদের সমাধান অপেক্ষাকৃত অনেক সহজ।
বেশির ভাগ ফাংশন গ্লোবাল ডাটা শেয়ার করে বলে। সিস্টেমের সিকিউরিটি হ্রাস পায়।
এই ধরনের প্রোগ্রামিং এ সিস্টেমের সিকিউরিটি অনেক। বেশি।
এই পদ্ধতিতে বড় বড় প্রোগ্রাম লিখতে গিয়ে data abstruction, code reusability ইত্যাদি বিষয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।
এই পদ্ধতিতে এই ধরনের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা কম।
এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রাম এর মেইনটেন্যান্স করা অনেক কঠিন। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রাম মেইনটেন্যান্স অনেক সহজ।
এতে ব্যবহৃত ফাংশনসমূহ Action oriented যা বাস্তব। জীবনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
এতে ব্যবহৃত অবজেক্টসমূহ object oriented যা বাস্তব জীবনের সাথে সম্পর্কিত।
উদাহরণঃ ফরট্রান প্যাস্কেল, বেসিক ইত্যাদি। উদাহরণঃ সি++, জাভা ইত্যাদি।

 

প্রসিডিউর অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর মধ্যে পার্থক্য I প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ৩

Leave a Comment